| |
               

মূল পাতা রাজনীতি অন্যান্য নুরের মাথায় আঘাত রয়েছে, নাকের হাড় ভেঙে গেছে : ঢামেকের পরিচালক


নুরের মাথায় আঘাত রয়েছে, নাকের হাড় ভেঙে গেছে : ঢামেকের পরিচালক


রহমত নিউজ     30 August, 2025     12:54 PM    


গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল উচ্চ পর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতেই সর্বোচ্চ পর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে বলে জানান ঢামেকের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। 

এদিকে শনিবার সকালে তিনি জানান, নুরুল হকের মাথায় আঘাত রয়েছে। তার নাকের হাড় ভেঙে গেছে। যে কারণে গতকাল অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছিল। আগেই রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে ও জ্ঞান ফিরেছে। তবে ৪৮ ঘণ্টার আগে নুরুল হক আশঙ্কামুক্ত সেটি বলা সম্ভব নয়। একইসঙ্গে এদিন সকালে নুরুল হকের চিকিৎসার বিষয় নিয়ে মেডিকেল বোর্ড আলোচনায় বসবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জাপার কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

গণ অধিকার পরিষদ বলেছে, গতকাল সন্ধ্যায়  মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় জাপার নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান। 

তবে জাপা বলেছে, মিছিল নিয়ে এসে জাপার নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালান গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, জাপার হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ৯টার দিকে গণ অধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে সভাপতি নুরুল হক, তিনিসহ নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাদের ওপর হামলা চালান। এতে সভাপতি নুরুল হক, তিনিসহ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। নুরুল হক গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকেসহ ছয়জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আইএসপিআর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ঘটনার শুরুতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে অনুরোধ জানান। তবে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও কিছু নেতা-কর্মী তা উপেক্ষা করে মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করেন। তারা  আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালান এবং আনুমানিক রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বাড়ান। তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালান।

জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ জন সদস্য আহত হন বলে আইএসপিআর জানিয়েছে।